সফটওয়্যার
জটিলতার কারণে এখনো শুরু হয়নি জাতীয়করণের লক্ষ্যে স্কুল পরিদর্শনের
কার্যক্রম। পরিদর্শন প্রক্রিয়া দ্রুততার সঙ্গে শুরু করার জন্য স্কুলে
স্কুলে না গিয়ে অনলাইনের মাধ্যমে ঘোষণাপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর তথ্য চায়
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।
জুলাই মাসের মাঝামাঝি প্রতিষ্ঠানগুলোকে
সুনির্দিষ্ট তথ্য অনলাইনের মাধ্যমে প্রদান করতে বলা হলেও প্রায় একমাসেও
তথ্য প্রদানের কোনো পদ্ধতিই চালু করতে পারেনি সংশ্লিষ্টরা। তবে মাউশি বলছে,
তথ্য প্রদানের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। এখন শুধু উদ্বোধনের অপেক্ষা।
উদ্বোধন প্রসঙ্গে মাউশির সহকারি পরিচালক
সাখায়েত হোসেন বিশ্বাস দৈনিক শিক্ষাকে বলেন, ‘আগামী দু’একদিনের মধ্যে
ওয়েবসাইটের উদ্বোধন হয়ে যাবে।’
এ প্রক্রিয়ায় প্রায় ১২৫টি শিক্ষা
প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণে স্কুল পরিদর্শনের কার্যক্রম শুরু হবে। অনলাইনে স্কুল
পরিদর্শনের অংশ হিসেবে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে ৪৮টি তথ্য প্রদান করতে হবে।
প্রদত্ত তথ্য যাচাই-বাছাই করে জাতীয়করণের
পরবর্তী ধাপ নির্বাচন করা হবে। এসব তথ্যে কোনোধরনের অসত্য বা ভুল ধরা পড়লে
তথ্য প্রদানকারীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানানো হয়েছে
মাউশির পক্ষ থেকে।
জাতীয়করণের লক্ষ্যে স্কুল পরিদর্শনে যেসব তথ্য দিতে হবে:
১. বিদ্যালয়ের নাম বাংলায় ২. ইংরেজিতে ৩.
ইআইআইএন নং ৪. এমপিও কোড নং ৫. বিদ্যায়ের পাঠদানের স্তর ৬. বিদ্যালয়ের ধরণ
৭. যে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীন তার নাম ও প্রদত্ত কোড
নম্বর ৮. ভোকেশনাল শাখা থাকলে কারিগরি শিক্ষা বোর্ড প্রদত্ত কোড নম্বর ৯.
বিদ্যালয়ের অবস্থান ১০. ই-মেইল ১১. ওয়েবসাইট ১২. এরিয়া কোডসহ টেলিফোন নম্বর
১৩. ফ্যাক্স ১৪. বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠার সাল ১৫. প্রথম স্বীকৃতির তারিখ ১৬.
প্রথম এমপিওভুক্তির তারিখ ১৭. কারিগরি শাখা এমপিওভুক্তির তারিখ ১৮.
সর্বশেষ স্বীকৃতির আদেশ নং ও তারিখ ১৯. সর্বশেষ স্বীকৃতির মেয়াদকাল ২০.
পরিচালনা কমিটির ধরণ ২১. সর্বশেষ অনুমোদিত কমিটির আদেশ নং ও মেয়াদকাল ২২.
বিদ্যালয়ের ভোগদখলকৃত জমির পরিমান (শতাংশ) ২৩. খারিজকৃত জমির পরিমান
(শতাংশ) ২৪. সর্বশেষ খাজনা পরিশোধের রশিদ অনুযায়ী জমির পরিমান ও পরিশোধের
বছর ২৫. বিদ্যালয়ের ভবন সংখ্যা ২৬. বিদ্যমান অবকাঠামোর আয়তন ২৭. খেলার
মাঠের পরিমাপ ২৮. বিদ্যালয়ের মোট কক্ষ সংখ্যা ২৯. বিজ্ঞানাগার হিসেবে
ব্যবহৃত কক্ষ সংখ্যা (১. পদার্থ বিজ্ঞান ২. ওসায়ন ৩. জীব বিজ্ঞান ৪. কৃষি
৫. গার্হস্থ্য অর্থনীতি) ৩০. আইসিটি ল্যাবের সংখ্যা ৩১. মাল্টিমিডিয়া
ক্লাসরুমের সংখ্যা ৩২. গ্রন্থাগার হিসেবে ব্যবহৃত কক্ষ সংখ্যা ৩৩. পাঠক
ধারণ ক্ষমতা ৩৪. বইয়ের সংখ্যা ৩৫. বিদ্যালয়ের অন্যান্য সম্পদ। ৩৬.
বিদ্যালয়ের অন্যান্য সম্পদের বিবরণ (ফসলী জমি, দোকান ঘর, পুকুর, অন্যান্য)
৩৭. আসবাবপত্রের সংখ্যা (সিলিং ফ্যান, স্ট্যান্ড ফ্যান, হোয়াইট বোর্ড,
সোফাসেট, কম্পিউটার চেয়ার, কম্পিউটার টেবিল, কম্পিউটার/ ল্যাপটপ সংখ্যা,
ইউপিএস, প্রিন্টার, ফটোকপি মেশিন, টাইপ মেশিন, বেঞ্চ হাই, বেঞ্চ লো, টি
টেবিল, টেবিল কাঠের, চেয়ার কাঠের, র্যাক কাঠের, র্যাক স্টিল, টুল,
অন্যান্য) ৩৮. বিদ্যালয়ের পানীয় জল ও স্যানিটেশন ব্যবস্থা (শৌচাগার ছাত্রী,
শৌচাগার ছাত্র, শৌচাগার প্রধান শিক্ষক, শৌচাগার মহিলা শিক্ষক, শৌচাগার
পুরুষ শিক্ষক, শৌচাগার কর্মচারী) ৩৯. বাসস্থান: (১. প্রধান শিক্ষকের বাসভবন
২. অন্যান্য শিক্ষকদের বাসভবন ৩. কর্মচারীদের বাসভবন) ৪০. কর্মরত
শিক্ষক-কর্মচারীর বিবরণ: নিজের নাম, পিতা-মাতার নাম, এনআইডি, জন্ম তারিখ ,
জেলা, শিক্ষাগত যোগ্যতা, পদবী, প্রতিষ্ঠানে যোগদানের তারিখ, এমপিওর
তারিখ,প্রাপ্ত বেতন ৪১. শিক্ষার্থীর বিবরণ: ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত
মোট শাখা, মোট ছাত্র , মোট ছাত্রী, ধর্মভিত্তিক শিক্ষার্থীর সংখ্যা
পৃথকভাবে ৪২. ব্যাংক তহবিলের বিবরণ ৪৩. বিদ্যালয়ের বিগত ৫ বছরের জেএসসি ও
এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল: ৪৪. উপজেলায় অন্য কোন সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় আছে
কি না? থাকলে তার নাম ৪৫. সহশিক্ষা পাঠক্রমিক কার্যাবলী ৪৬. বৈদ্যুতিক
সংযোগ আছে কি না ৪৭. ভৌত অবকাঠামোগত সুযোগ সুবিধা ৪৮. উপজেলার পরিসংখ্যান
অফিসারের প্রত্যয়ন পত্র অনুযায়ী বিদ্যালয়ের আশে-পাশে পূর্ব-পশ্চিম ও
উত্তর-দক্ষিণ ক্যাচমেন্ট এলাকার মোট জনসংখ্যা ।
সূত্রঃ দৈনিক শিক্ষা


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন