Sample Text

LightBlog

Breaking

LightBlog

রবিবার, ১৪ আগস্ট, ২০১৬

শিক্ষা ও শিক্ষকতা : যেখানে তারুণ্য দ্রুত চলে যায় বার্ধক্যে

এ কোন নিষ্ঠুরতা। যেখানে তারুণ্য দ্রুত চলে যায় বার্ধক্যে। শিক্ষাজীবন শুরুই হয় বিভিন্ন হোঁচটের মধ্য দিয়ে। শিক্ষাঙ্গনে আনন্দ-উল্লাস আর খেলাচ্ছলে শেখার সাধারণ বৈশিষ্ট্যটি পর্যন্ত অনুপস্থিত আমাদের শিশুদের। শিক্ষা শুরুই হয় উৎকণ্ঠায়। শেষ হয় উৎকণ্ঠায়।
তারপর কর্মক্ষেত্রে প্রবেশের প্রক্রিয়ায় তারুণ্যের সময় খেয়ে ফেলে দেয় গোটা প্রক্রিয়া।এভাবেই এক নিষ্ঠুরতা আমাদের তারুণ্যকে দ্রুত নিয়ে যায় বার্ধক্যের দিকে।গোটা শিক্ষা ব্যবস্থায় সমন্বয়হীনতা বারবার সিদ্ধান্ত পাল্টানো এবং শিক্ষা পরবর্তী কর্মজীবনে প্রবেশ প্রাক্কালে নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানসমূহের কালক্ষেপণকারী জটিলতার কারণেই এমনটি হচ্ছে।
এর জন্যে প্রধানত দায়ী যারা শিক্ষাক্ষেত্রে নীতি নির্ধারণ করছেন তাদের সমন্বয়হীনতা এবং দেশের বাস্তবতা উৎসারিত চিন্তা ভাবনার ঘাটতি। যে শিশুটির মুখে সদ্য কথা ফুটেছে। স্কুলে তার জন্যে বরাদ্দ বইয়ের বোঝা যখন আমরা দেখি। শিক্ষা ব্যবস্থার সমন্বয়হীনতা ও অবাস্তবতা মূলত সেখান থেকেই শুরু। বইয়ের বোঝা বহনে অক্ষম শিশুটির যা কিংবা বাবাকে যখন দেখি বইয়ের ব্যাগ বহন করে যাচ্ছেন।
তখনই আমরা বুঝে যাই এই বোঝা বহন একটি প্রতীকী দৃশ্য। সারা জীবনই শিক্ষা তার কাছে বোঝাই হয়ে থাকবে। আনন্দ সেখানে পালিয়ে গেছে।পঞ্চম শ্রেণীতে উঠেই তার দুশ্চিন্তা শুরু হয় পিএসসি এবং এবতেদায়ী পরীক্ষা নিয়ে। একেবারেই অর্থহীন এ দুটো পাবলিক পরীক্ষা।
একবার কথা উঠে পঞ্চম শ্রেণীতে পিএসসি ও এবতেদায়ী এবং অষ্টম শ্রেণীতে জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষা আর থাকবে না। ভালো কথা কিছুদিন যেতে না যেতেই আবার বলা হলো না এ সমস্ত পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের বসতে হবে। মহা বিচক্ষণ নীতি নির্ধারকরা তো বলেই মুক্ত।
কিন্তু পরীক্ষা হবে না এবং পরীক্ষা হবে এ দুটো বাক্যের মধ্যে পার্থক্য কি তারা কখনো তলিয়ে দেখেছেন। এর প্রতিক্রিয়া শিশুর মনে কত গভীরে প্রভাব ফেলে তার হিসাব কি তারা কখনো করে দেখেছেন। শিক্ষার একদম শুরুতেই এক ভয়ার্ত ভাবনা শিশুদের মনোজগৎকে ছেঁয়ে ফেলছে।
এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল নির্ধারণে নম্বর ছিল নির্ধারক। এর দ্বারাই নির্ধারিত হতো শিক্ষার্থীর ফলাফলের মান। এমন কি একই বিভাগ পেলেও প্রাপ্ত নম্বরের পার্থক্যের ভিত্তিতে পরবর্তী উচ্চ শিক্ষার সুযোগ পাওয়া না পাওয়াও নির্ধারিত হতো। নির্ধারিত হতো স্কলারশিপ পাওয়ার বিষয়ও।
তারপরে নম্বর ব্যবস্থা উঠিয়ে দেয়া হলো। চালু করা হলো জিপিএ ব্যবস্থা। এখন আবার নাকি এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার ফলে জিপিএর পাশাপাশি প্রাপ্ত নম্বরও দেয়া থাকবে। ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান সম্প্রতি এটি জানিয়েছেন নায়েমের এক কর্মশালায়।
সেই পুরনো ব্যবস্থাই যদি ফিরিয়ে আনা হয় তবে মাঝখানে জিপিএ এর নামে যত রকমের পরীক্ষা-নিরীক্ষা কেন করা হলো? আমাদের শিশুদের কেন গিনিপিগ বানানো হলো?দোষ কি প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় বিভাগ থাকলে। দোষ কি ২০টি প্লেস নির্ধারিত থাকলে। মেধার মূল্যায়ন তো এভাবেই করা যায়। আগে তো হয়েছেও।মূল কথা হলো, আমাদের আমলাদের কাজের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ছুতা-নাতায় বিদেশ ভ্রমণ। এরা ফাইল ওয়ার্ক করে। মাঠ পর্যায়ে শিক্ষা, চিকিৎসা কাজে যারা আছেন তাদের জন্য বরাদ্দ এবং তাদের দরকারও আছে উচ্চতর গবেষণার জন্য পিএইচডি ডিগ্রি এবং অন্যান্য শিক্ষা সফরের।
বিভিন্ন প্রশিক্ষণের। ওইগুলোই আমলারা ছিনিয়ে নিয়ে বিদেশ ভ্রমণ করছে এবং এমনকি পিএইচডি পর্যন্ত করছে। যাদের কার্যকর কোনো দরকারই নেই। উচ্চ ডিগ্রির শোভা বর্ধন করা ছাড়া। এই আমলারা বাইরে গিয়ে হঠাৎ হঠাৎ যা দেখে আসেন। দেশের বাস্তবতার আগুপিছু না ভেবে ওটাই তখন চালু করে দেন। যারা পরিণতিই শিক্ষা ক্ষেত্রে আজকের এই সমন্বয়হীনতা।
শিক্ষার্থীদের শিশু থেকে কিশোর এবং তরুণ্যে পেঁৗছাতে এত হোঁচট খাওয়া। এরপর?এরপর যখন কর্মক্ষেত্রে যাবে তখন। আগে বিসিএস পরীক্ষা নিয়েই বলছি। বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ থেকে চাকরিতে যোগদানের গেজেট। একটি প্রক্রিয়া শেষ করতে সময় লাগে তিন বছর চার মাস। এর মধ্যে আড়াই বছর সময়ই নিয়েছে সরকারি কর্মকমিশন বা পিএসসি। এবারের ৩৪তম বিসিএস দীর্ঘসূত্রতার রেকর্ড করেছে।
আবার মৌখিক পরীক্ষার শেষ হওয়ার প্রায় চার মাস হয়ে গেলেও এখনো ৩৫তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশিত হয়নি। দীর্ঘসূত্রতার এই নতুন রেকর্ডে ৩৫তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফলের অপেক্ষায় থাকা ৬ হাজার পরীক্ষার্থীর ক্ষোভ আর হতাশ দিনে দিনে বাড়ছে। গত এক দশকের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ২৮ থেকে ৩২তম বিসিএসের প্রক্রিয়াগত সময় কমে এলেও ৩৩তম বিসিএস থেকে সময় আবার বাড়ছে।
 বর্তমানে একটি বিসিএসের প্রক্রিয়া শেষ করতে দুই থেকে তিন বছর সময় লেগে যাচ্ছে। ফলে ২৪ বা ২৫ বছর বয়সে লেখাপড়া শেষ করা একজন তরুণের জীবনের বড় সময়ই চলে যাচ্ছে বিসিএস পরীক্ষায়। প্রতি বিসিএসে দুই লাখের বেশি শিক্ষিত তরুণ অংশগ্রহণ করে। ৩০ বছর বয়স পর্যন্ত তারা এই পরীক্ষা দিতে পারে। ক্যাডার ও নন-ক্যাডার মিলিয়ে তাদের মধ্যে চাকরি পান তিন থেকে চার হাজার। শম্বুকগতিতে পিএসসি পরীক্ষা গ্রহণ করে এবং একই গতিতে পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা করে। এর প্রধান কারণ জটিল প্রক্রিয়া।
এখনো পরীক্ষার খাতা দেখার কাজটি ম্যানুয়ালি হয়। অনেক সময় দেখা যায় কোনো একজন পরীক্ষক হয়তো দেরি করে খাতা পাঠালেন। আবার দেখা যায় নম্বরের যোগে ভুল হয়েছে।আবার বিসিএসে কোটা পদ্ধতি আছে। দেখা যায় কোটা নির্ধারণে একটা ভুল হলে পুরো ফলই আবার তৈরি করতে হয়। ফল প্রকাশ করে দিলেও পুলিশি যাচাইয়ের কারণে তাদের চাকরিতে যোগ দিতে আরও সময় লেগে যায়।
মোটকথা তারুণ্য একজন মানুষের জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময় হলেও বিসিএসে পরীক্ষায় সেই তারুণ্য দ্রুত শেষ হয়। একটি পরীক্ষার ফলাফল পেতে তিন বছর অপেক্ষা করতে হলে, ব্যর্থ হওয়ার পরে আরেকবার পরীক্ষায় বসা চাকরি প্রার্থীর পক্ষে আর সম্ভব হয় না। চাকরির বয়স সে হারিয়ে ফেলে। যেখানে কোনো মতেই এক বছরের বেশি সময় লাগা মোটেই উচিত নয়।অথচ ২০০৩-এর ২৪তম বিসিএসের পর থেকে প্রত্যেকটি বিসিএস পরীক্ষা সময় ক্ষেপণের বিবেচনায় পূর্বেরটার চেয়ে রেকর্ড ভেঙেই চলছে।
ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে থাকা একটি জাগির পিএসসি কিভাবে এতটা পিছিয়ে থাকে সেটাই প্রশ্ন।প্রশ্ন উঠতে পারে এক পিএসসি দিয়েই কি সব বিবেচনা নির্ধারিত হবে। পিএসসিই তো কর্মসংস্থানের একমাত্র নির্ধারক নয়। তবে প্রতি পরীক্ষায় ২ লাখ তরুণের জীবন থেকে এভাবে তারুণ্য চলে যাওয়াটা নিছক ফেলনা বিবেচনা নয়। কারণ প্রতি বছরই শ্রম বাজারে ১৫ থেকে ২০ লাখ তরুণ প্রবেশ করছে।যে ক্ষেত্রে অন্যখানের চিত্র কি রকম। চাকরির বাজারের চাহিদার সঙ্গে সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ না হওয়ায় দেশের প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থা তরুণদের চাকরির সুযোগ সৃষ্টিতে ব্যর্থ হচ্ছে। এর সব চেয়ে বড় কারণ হচ্ছে শিক্ষা ও কর্মসংস্থান নীতিমালার লক্ষ্যগত দূরত্ব।
শিক্ষা ব্যবস্থা ও চাকরির বাজারের লক্ষ্যের সমন্বয়ের দিক থেকে সারা বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ১০০ এরও পরে। সম্প্রতি প্রকাশিত ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের মানব সম্পদ বিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। কোনো দেশের উন্নয়নের পূর্বশর্ত হচ্ছে মানবসম্পদ উন্নয়ন। আর মানবসম্পদ গড়ে ওঠে শিক্ষার অংশ গ্রহণের হার এর গুনগত মান ও পরবর্তী শিক্ষিতদের চাকরির সুযোগের নিশ্চয়তার মাধ্যমে। উন্নত বিশ্বের দেশগুলোর শিক্ষা ব্যবস্থা ও কর্মসংস্থানের মধ্যে লক্ষ্যগত অভিন্নতা রয়েছে।
ফলে সে সব দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় চাকরির বাজারের বিষয়টিগুরুত্ব পায়। চাকরির বাজারও শিক্ষা ব্যবস্থার সমন্বয়ে দিক থেকে সারা বিশ্বে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে ফিনল্যান্ড, জাপান, সুইজারল্যান্ড, নরওয়ে ও ডেনমার্ক। অথচ সমন্বয়ের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থান ১০০টি দেশেরও পরে। আর এটিই প্রচলিত কাঠামোয় শিক্ষিতদের চাকরির সুযোগ সৃষ্টির পথে প্রধান অন্তরায়।শিক্ষিতদের জন্য চাকরির সুযোগ সৃষ্টিতে সবচেয়ে বড় বাধা তিনটি।
এগুলো হলো, শিক্ষা ব্যবস্থা ও কর্মসংস্থানের লক্ষ্যণীয় অসংগতি। মানসম্মত শিক্ষার ঘাটতি প্রবৃদ্ধির হার অনুযায়ী মানসম্মত কর্মসংস্থান গড়ে না ওঠে। এ ক্ষেত্রে কর্মসংস্থান এবং শিক্ষা ব্যবস্থার মধ্যে জাতীয় পর্যায়ে একটি সমন্বয় প্রয়োজন।কর্মবাজারের সঙ্গে শিক্ষা ব্যবস্থার লক্ষ্যগত অমিলের এ সমস্যা বাংলাদেশে প্রকট। যেমন চাকরির বাজারে চাহিদা না থাকা সত্ত্বেও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর কিছু বিভাগে অধিক শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়। আবার চাহিদা থাকলেও বিজ্ঞান, চিকিৎসা ও প্রকৌশলের মতো বিভাগ বা প্রতিষ্ঠানগুলোয় বাড়ানো হচ্ছে না আসন সংখ্যা।
বিশ্বব্যাংকের ‘ South Asian Human Development Sector : An assessment of skills in the formal Sector Labour market in Bangladesh ‘ শীর্ষক এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে দেশের মোট শিক্ষার্থীর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৩০ দশমিক ৫ শতাংশ কলা ও মানবিকে রয়েছে।
অথচ চাকরির বাজারে এসব বিষয়ের চাহিদা মাত্র ১৩ দশমিক ৭ শতাংশ। অর্থাৎ এ শাখায় প্রয়োজনের চেয়ে দ্বিগুণেরও বেশি শিক্ষার্থী ভর্তি করানো হচ্ছে। আবার চাকরির বাজারে বিজ্ঞান শিক্ষার্থীদের চাহিদা রয়েছে ২৩ দশমিক ৯ শতাংশ। কিন্তু দেশে বিজ্ঞান শিক্ষার্থী রয়েছে শিক্ষার্থীর মাত্র ৮ শতাংশ।
এক্ষেত্রে ঘাটতি রয়েছে ১৫ দশমিক ৯ শতাংশ শিক্ষার্থীর। চিকিৎসার ১ দশমিক ৫ শতাংশ চাহিদা থাকলেও এখাতে শিক্ষার্থীর সংখ্যা মাত্র দশমিক ২ শতাংশ। Economist intelligence সম্প্রতি বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, শ্রীলংকা ও আফগানস্তানের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থা, শিক্ষার মান ও চাকরির বাজারে স্নাতক ডিগ্রিধারীদের অবস্থান বিষয়ে একটি প্রতিবেদন তৈরি করে।
এতে দেখানো হয়, শিক্ষিত রেকারের তালিকার দক্ষিণ এশিয়ায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। স্নাতক পাসের পর দেশের ৪৭ শতাংশ শিক্ষার্থী চাকরি পায় না।এভাবেই গোটা শিক্ষা ব্যবস্থার মধ্যে একজন ব্যক্তির তারুণ্য দ্রুত শেষ হয়ে যায় বিনা কাজে।
মানবসম্পদ উন্নয়ন, বিকাশ ও তার প্রয়োগের জন্য শিক্ষা ও কর্মসংস্থান নীতিমালায় সমন্বয় আনা প্রয়োজন। শিক্ষা কারিকুলাম যুগোপযোগী করে কর্মোপযোগী করতে হবে। যাতে শিক্ষিত জনগোষ্ঠী তৈরিতে বাংলাদেশ পিছিয়ে না পড়ে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে পরীক্ষার ফলাফলকেই সর্বাধিক গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।
প্রেজেন্টেশন, কেস স্টাডিজ, বিশ্লেষণধর্মী অ্যাসাইনমেন্টকে উৎসাহিত করা হয় না। গোটা কারিকুলামে এসব00 কিছু অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। সব মিলিয়ে শিক্ষার প্রসারের সুফল পেতে কর্মসংস্থান ও শিক্ষা ব্যবস্থার মধ্যে সঙ্গতি আনতে হবে।শিক্ষা গ্রহণ করতে গিয়ে কেউ যেন তার তারুণ্যকে হারিয়ে ফেলে বেকার হয়ে না যায় সেই মানবাধিকারটি নিশ্চিত করতে হবে।


 সূত্রঃ দৈনিক শিক্ষা

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Adbox