২০১৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় নটর ডেম
কলেজের ৫৬ জন ফেল করেছে। পাসের হার গত বছরের তুলনায় কমেছে। তবে বেড়েছে
জিপিএ ৫-এর সংখ্যা। ২০১৫ সালে বিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা ও মানবিক শাখা
মিলিয়ে কলেজটির শিক্ষার্থীদের সম্মিলিত পাসের হার ছিল ৯৯ দশমিক ১৮ শতাংশ।
এবার তা কমে দাঁড়িয়েছে ৯৭ দশমিক ৯৮ শতাংশে। পরীক্ষায় মোট অংশ নিয়েছিলেন ২
হাজার ৬৩৯ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে অকৃতকার্য হয়েছেন ৫৬ জন।
তবে পাসের হার কিছুটা কমলেও জিপিএ-৫
প্রাপ্তির সংখ্যা বেড়েছে। ২০১৫ সালে কলেজটির মোট ১ হাজার ৬৩৭ জন
শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছিল। এবার তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৬৭১ জনে। এর
মধ্যে বিজ্ঞান শাখা থেকেই জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ হাজার ৩৪০ জন।
এইচএসসি পরীক্ষায় কলেজের শিক্ষার্থীদের
সামগ্রিক ফলাফল নিয়ে সন্তুষ্টির কথা জানিয়ে কলেজের অধ্যক্ষ ড. জুনিয়র
হেমন্ত পায়াস রোজারিও বলেন, ‘আমাদের ফলাফলের ধারা একইরকম থাকে। তেমন
কোনো ওঠা-নামা হয় না। তবে মানবিকে এবার অকৃতকার্য বেশি হয়েছে। বিজ্ঞান ও
ব্যবসায় শিক্ষা শাখায় ফলাফল আগের মতোই আছে।’
অধ্যক্ষ বলেন, এ বছর মানবিক শাখা থেকে
সবচেয়ে বেশি, মোট ৩৯ জন শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছেন। এর কারণ হিসেবে তিনি
আইসিটি বিষয়ে প্রথমবারের মতো সৃজনশীল পদ্ধতিতে পরীক্ষা গ্রহণের কথা
উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ৩৯ জনের মধ্যে অনেকেই আইসিটি বিষয়ে অকৃতকার্য
হয়েছেন। তিনি বলেন, ‘নটর ডেম কলেজে গ্রাম থেকে অনেক শিক্ষার্থী পড়তে আসেন।
তাঁদের অনেকেরই এসএসসিতে জিপিএ-৫ থাকে না। কিন্তু তাঁরাও এইচএসসিতে জিপিএ-৫
পান। এটিই এই কলেজের সুন্দর দিক।’ তবে শুধু জিপিএ-৫ পেলেই শিক্ষার মান
বাড়ে না বলে মন্তব্য করেছেন অধ্যক্ষ ড. জুনিয়র হেমন্ত পায়াস রোজারিও।
সূত্রঃ দৈনিক শিক্ষা


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন