জাতীয় শোক দিবসে পতাকা তোলায় আপত্তিতে স্থানীয়দের পিটুনির পর মাগুরা সদর উপজেলার সেই মাদ্রাসা শিক্ষককে আটক করেছে পুলিশ।
Related Stories
সোমবার উপজেলার শত্রুজিৎপুর থেকে তাকে আটক করা হয় বলে
জানান মাগুরার পুলিশ সুপার এ কে এম এহসান উল্লাহ।
আটক আব্দুল আজিজ উপজেলার বেরইল পলিতা ইউনিয়নের বেরইল দারুল হুদা সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ।
তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান পুলিশ সুপার।
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের দিন ১৫ অগাস্ট রাষ্ট্রীয়ভাবে শোক পালন করা হয়। এদিন জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত থাকে।
সোমবার জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখতে আপত্তি তুলে এলাকাবাসীর ক্ষোভের মুখে পড়েন মাদ্রাসা শিক্ষক আজিজ।
বেরইল পলিতা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খন্দকার মহব্বত আলী জানান, জাতীয় শোক দিবসে সব প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখার কথা থাকলেও ওই মাদ্রাসায় তা রাখা হয়নি জানতে পেরে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক মোল্যা, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মান্নান, মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার জবেদ আলীসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা সেখানে যান।
“তারা অধ্যক্ষকে পতাকা উত্তোলন করে অর্ধনমিত রাখার কথা বললে অধ্যক্ষ মাদ্রাসার কর্মচারী আসেনি জানিয়ে পতাকা তুলতে অস্বীকৃতি জানান। এলাকাবাসী বারবার অনুরোধ করার পরও তিনি পতাকা উত্তোলন করতে রাজি না হয়ে উল্টো বলেন, প্রয়োজনে আত্মহত্যা করবেন, তবু পতাকা ছোঁবেন না।”
এক পর্যায়ে উত্তেজিত জনতা অধ্যক্ষকে ধরে মারধর শুরু করলে তিনি দৌড়ে পালিয়ে যান বলে মহব্বত আলী জানান।
পরে থানায় খবর দেওয়া হলে পুলিশ আজিজকে আটক করে।
আটক আব্দুল আজিজ উপজেলার বেরইল পলিতা ইউনিয়নের বেরইল দারুল হুদা সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ।
তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান পুলিশ সুপার।
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের দিন ১৫ অগাস্ট রাষ্ট্রীয়ভাবে শোক পালন করা হয়। এদিন জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত থাকে।
সোমবার জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখতে আপত্তি তুলে এলাকাবাসীর ক্ষোভের মুখে পড়েন মাদ্রাসা শিক্ষক আজিজ।
বেরইল পলিতা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খন্দকার মহব্বত আলী জানান, জাতীয় শোক দিবসে সব প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখার কথা থাকলেও ওই মাদ্রাসায় তা রাখা হয়নি জানতে পেরে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক মোল্যা, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মান্নান, মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার জবেদ আলীসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা সেখানে যান।
“তারা অধ্যক্ষকে পতাকা উত্তোলন করে অর্ধনমিত রাখার কথা বললে অধ্যক্ষ মাদ্রাসার কর্মচারী আসেনি জানিয়ে পতাকা তুলতে অস্বীকৃতি জানান। এলাকাবাসী বারবার অনুরোধ করার পরও তিনি পতাকা উত্তোলন করতে রাজি না হয়ে উল্টো বলেন, প্রয়োজনে আত্মহত্যা করবেন, তবু পতাকা ছোঁবেন না।”
এক পর্যায়ে উত্তেজিত জনতা অধ্যক্ষকে ধরে মারধর শুরু করলে তিনি দৌড়ে পালিয়ে যান বলে মহব্বত আলী জানান।
পরে থানায় খবর দেওয়া হলে পুলিশ আজিজকে আটক করে।


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন