নীতিমালা অনুযায়ী প্রত্যেক উপজেলায় একটি বিষয়ের শূন্যপদের ২০ শতাংশ বেশি
প্রার্থীর নাম থাকবে তালিকায়। উপজেলাভিত্তিক ও বিষয়ভিত্তিক শূন্যপদের
বিপরীতে মেধাতালিকা প্রকাশ করা হবে।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদ এই তালিকা থেকে প্রার্থী নিয়োগের ব্যবস্থা করবেন। এর বাইরে্ এ্রন্ট্রিলেভেলে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আর কোনো ধরনের সংশ্লিষ্টতা থাকবে না। প্রথম থেকে দ্বাদশ শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের মধ্যে যারা ই-আবেদন করেছেন তাদের মধ্য থেকে এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সুপারিশের জন্য বিবেচনা করা হয়েছে।
নিবন্ধন অফিসের সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, বিষয়ভিত্তিক শূন্যপদ, আবেদন, উপজেলা, জেলা, বিভাগ ও মহানগর ইত্যাদি নানা দিক সমন্বয় শেষে একটি মেধাতালিকা তৈরি করা হয়েছে। প্রথমবারের মত কেন্দ্রীয়ভাবে পরিচালিত নিয়োগ প্রক্রিয়া হওয়ায় নির্বাচিত শিক্ষকদের তালিকা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। কাল রোববার বিকেল তিনটায় সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বিভিন্ন দিক তুলে ধরবেন।
বেসরকারি স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় প্রথমবারের মত কেন্দ্রীয়ভাবে শিক্ষক নিয়োগের জন্য প্রার্থী বাছাই করে দেয়া হচ্ছে। রোববার ১৫ হাজার ১২১টি শূন্যপদের বিপরীতে মেধা তালিকা প্রকাশ করা হচ্ছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে এই তালিকা থেকে প্রার্থীর নিয়োগ চূড়ান্ত করতে হবে। এবার একটি পদের জন্য গড়ে ৯৩জন প্রার্থী আবেদন করেছিলেন। তবে, একজন একাধিক আবেদন করার ফলে প্রতি পদের বিপরীতে ৯৩ জন না বলে ৯৩ আবেদন বলা সমীচীন হবে বলে নিবন্ধন সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
স্থানীয় বিদ্যোৎসাহী, দানশীল ও বিশিষ্ট ব্যক্তি বা ব্যক্তিদের উদ্যোগে দেশে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপিত হয়ে আসছে। আবহমান কাল থেকে এই ধারা বজায় ছিল।
তবে, নানা অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সরকার দুর্নীতির মাধ্যমে নিয়োগের লাগাম টানার উদ্যোগ নেয়। ২০০৫ খ্রিস্টাব্দে নিবন্ধন পরীক্ষা চালু করে।
সর্বশেষ গতবছরের ২১ অক্টোবর প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগে কেন্দ্রীয় প্রথা চালুর আদেশ জারি করে। গত বছরের ২১ অক্টোবর থেকে নিয়োগে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হয়। এরপর শিক্ষক নিয়োগের লক্ষে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এনটিআরসিএকে (বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয় কর্তৃপক্ষ) সফটওয়্যার তৈরিসহ আনুষঙ্গিক প্রক্রিয়া গ্রহণের নির্দেশ দেয়।
সে অনুযায়ী এ সংস্থাটি নিয়োগের প্রক্রিয়া অংশ নিতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে অনলাইনে রেজিস্ট্রেশনের আহ্বান জানায়।
প্রায় ৩০ হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রেজিস্ট্রেশনও করে। কিন্তু পরবর্তীতে শূন্যপদে নিয়োগের জন্য চাহিদা চাইলে মাত্র ৬ হাজার ৫৬২টি প্রতিষ্ঠান সাড়া দেয়। এসব প্রতিষ্ঠানে মোট পদ শূন্য আছে ১৫ হাজার ১২১টি। এসব পদের জন্য পরবর্তীতে মোট ১৪ লাখ প্রার্থী আবেদন করেছে। সে হিসাবে প্রতি পদের জন্য গড়ে আবেদন করেছে প্রায় ৯৩জন।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদ এই তালিকা থেকে প্রার্থী নিয়োগের ব্যবস্থা করবেন। এর বাইরে্ এ্রন্ট্রিলেভেলে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আর কোনো ধরনের সংশ্লিষ্টতা থাকবে না। প্রথম থেকে দ্বাদশ শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের মধ্যে যারা ই-আবেদন করেছেন তাদের মধ্য থেকে এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সুপারিশের জন্য বিবেচনা করা হয়েছে।
নিবন্ধন অফিসের সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, বিষয়ভিত্তিক শূন্যপদ, আবেদন, উপজেলা, জেলা, বিভাগ ও মহানগর ইত্যাদি নানা দিক সমন্বয় শেষে একটি মেধাতালিকা তৈরি করা হয়েছে। প্রথমবারের মত কেন্দ্রীয়ভাবে পরিচালিত নিয়োগ প্রক্রিয়া হওয়ায় নির্বাচিত শিক্ষকদের তালিকা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। কাল রোববার বিকেল তিনটায় সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বিভিন্ন দিক তুলে ধরবেন।
বেসরকারি স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় প্রথমবারের মত কেন্দ্রীয়ভাবে শিক্ষক নিয়োগের জন্য প্রার্থী বাছাই করে দেয়া হচ্ছে। রোববার ১৫ হাজার ১২১টি শূন্যপদের বিপরীতে মেধা তালিকা প্রকাশ করা হচ্ছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে এই তালিকা থেকে প্রার্থীর নিয়োগ চূড়ান্ত করতে হবে। এবার একটি পদের জন্য গড়ে ৯৩জন প্রার্থী আবেদন করেছিলেন। তবে, একজন একাধিক আবেদন করার ফলে প্রতি পদের বিপরীতে ৯৩ জন না বলে ৯৩ আবেদন বলা সমীচীন হবে বলে নিবন্ধন সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
স্থানীয় বিদ্যোৎসাহী, দানশীল ও বিশিষ্ট ব্যক্তি বা ব্যক্তিদের উদ্যোগে দেশে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপিত হয়ে আসছে। আবহমান কাল থেকে এই ধারা বজায় ছিল।
তবে, নানা অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সরকার দুর্নীতির মাধ্যমে নিয়োগের লাগাম টানার উদ্যোগ নেয়। ২০০৫ খ্রিস্টাব্দে নিবন্ধন পরীক্ষা চালু করে।
সর্বশেষ গতবছরের ২১ অক্টোবর প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগে কেন্দ্রীয় প্রথা চালুর আদেশ জারি করে। গত বছরের ২১ অক্টোবর থেকে নিয়োগে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হয়। এরপর শিক্ষক নিয়োগের লক্ষে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এনটিআরসিএকে (বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয় কর্তৃপক্ষ) সফটওয়্যার তৈরিসহ আনুষঙ্গিক প্রক্রিয়া গ্রহণের নির্দেশ দেয়।
সে অনুযায়ী এ সংস্থাটি নিয়োগের প্রক্রিয়া অংশ নিতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে অনলাইনে রেজিস্ট্রেশনের আহ্বান জানায়।
প্রায় ৩০ হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রেজিস্ট্রেশনও করে। কিন্তু পরবর্তীতে শূন্যপদে নিয়োগের জন্য চাহিদা চাইলে মাত্র ৬ হাজার ৫৬২টি প্রতিষ্ঠান সাড়া দেয়। এসব প্রতিষ্ঠানে মোট পদ শূন্য আছে ১৫ হাজার ১২১টি। এসব পদের জন্য পরবর্তীতে মোট ১৪ লাখ প্রার্থী আবেদন করেছে। সে হিসাবে প্রতি পদের জন্য গড়ে আবেদন করেছে প্রায় ৯৩জন।



কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন